প্রতিপক্ষের হামলা ও হুমকিতে অতিষ্ঠ ৩১ পরিবার

Header

রিপোর্টিং,নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাাঁর পত্নীতলা উপজেলার মানাষী গ্রামে শান্তি পুর্ন ভাবে পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ৪০ বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছিল,সম্পওির মালিকগণ মুস্তাফিজুর রহমান বাদল,বজলুর রহমান সহ আরো বেশ কয়েকজন। গত ৩ মাস ধরে একটি অবৈধ দখলদার মহলের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারনে সেখানে তাদের বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সম্পত্তির মালিকগণকে ৩ মাস ধরে প্রাণনাশের হুমকি,বাড়িতে লুটপাট সহ সম্পত্তি দখলের জন্যে দলবল নিয়ে প্রকাশ্যে জমি দখলের চেষ্ঠা করে চলেছে একটি মহল। এতে প্রকৃত মালিকগণ পড়েছে বিপাকে। পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন।

পত্নীতলা থানায় দাখিলকৃত মামলা সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার কৃষœপুর ইউনিয়নের মানাষী মৌজা ও কৃসমত গোবিন্দপুর অবস্থিত প্রায় সাড়ে ৩ একর শতক সম্পত্তি পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত হয়ে একই এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান বাদল গং প্রায় ৪০/৫০ বছর ধরে স্থানীয় বর্গাচাষীদের মাধ্যমে ফসলাদী চাষবাস করে ভোগ দখল করে আসছিলেন। হঠাৎ গত ৩ মাস আগে একই এলাকার বিশ্বনাথ, দুলাল, সুবাস, উরাও,মঙ্গল সহ ১৫/২০ জন ভুমি দখলদার তাদের দলবল নিয়ে ওই সম্পত্তি জোর পূর্বক ক্ষেতের ধান, বেগুন ফসল উপড়ে ফেলে এবং বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে।

এ ঘটনায় গত ১৯ আগস্ট মোস্তাফিজুর রহমান বাদল বাদী হয়ে ২৯/২২৮/২০২২ ইং পতœীতলা থানায় মামলা হলে পতœীতলা থানা পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে চার্জসীট দাখিল করেছে। সালের ও জমিতে ধান চাষে বাধা প্রদান করে । একই দিনে ওই দাগের আরেক মালিক বজলুর রহমান বাদী হয়ে ঘটনার সাথে জড়িত হয়ে ৫১ জনকে আসামী করে জিআর ৩০৮/২২ মামলা দায়ের করে। একই সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায় এসময় তারা জমির মালিক মোস্তাফিজুর রহমান বাদল এর স্ত্রী মুক্তা ও বর্গা চাষি মতিউর ,কাজল সহ বেশ কয়েকজন কে মারপিট করে জখম করে।

ads

এ ঘটনায় সে সময় পতœীতলা থানায় জড়িতদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয় এঘটনায় মতিউর রহমান বাদী হয়ে জিআর৩১০/২২ মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তদন্ত সাপেক্ষে থানা পুলিশ জড়িতদের অভিযুক্ত করে তাদের বিরুদ্বে আদালতে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এতে ভুমি দখলদার তারা ক্ষিপ্ত হয়ে একই ভাবে পুনরায় ওই সম্পত্তি দখলের পায়তারা করে ও গত ১৬ অক্টোবর বেলা ১১ টায় প্রকাশ্য ওই সম্পত্তির রোপিত ¯^র্ণ-৫ জাতের আমন ধানে আগাছা নাশক স্প্রে করে জমির সমুদয় ধান পুড়ে মেরে ফেলে। এই ঘটনায় ওই সম্পত্তির ওয়ারিশ মোস্তাফিজুর রহমান বাদল গত ১৬ অক্টোবর পতœীতলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন যার জিডি নং ১৩০৯ ।

থানা পুলিশ পরবর্তীতে বিষয়টি তদন্তের জন্যে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বরাবর তদন্তের জন্যে অনুমতি চাইলে বিজ্ঞ আদালত গতকাল ৩০ অক্টোবর অভিযোগটি আমলে নিয়ে পতœীতলা থানা পুলিশের উপর তদন্তের নির্দেশ দেন। একই মৌজার আরেক মালিক বজলুর রহমানের বর্গাচাষী আঃ সোবহান আলী বাদী হয়ে ৩০ আক্টোবর প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কীটনাশক প্রয়োগে ধানের ক্ষতি সাধনের জড়িতদের বিরুদ্ধে ৪০১/২২ নং মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্তের জন্যে পিবিআই এর উপর দায়িত্ব প্রদান করেন।

বর্গাচাষী মতিউর রহমান জানান,জমির প্রকৃত মালিক মোস্তাফিজুর রহমান বাদল ও বজলুর রহমান এর বর্গাচাষী জমিটি প্রায় ২০/২৫ বর্গাচাষী প্রায় ৪০/৫০ বছর ধরে বর্গা নিয়ে চাষ করে আসতেছি এবং সেখানে বসতবাড়ি করে আছি। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি দুই পক্ষকে আহব্বান করলে প্রতিপক্ষের লোকজন পরিষদে আসেনি। পতœীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি মিটিংএ আছি এবং নতুন যোগদান করেছি নথিপত্র না দেখলে বলতে পারছি না।

ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *