নেশাখোর স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর থানায় নির্যাতনের অভিযোগ

Header

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৫ নং বালিয়া ইউনিয়নের সরকার পাড়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে কাজল (২৭) এর সাথে জেলার রুহিয়া থানার ১৪ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের আব্দুল মান্নানের মেয়ে মমতাজ বেগমের সাথে তিন বছর পূর্বে বিয়ে হয়।

বিয়ের প্রথম ২ বছর ভালোই চলছিল দাম্পত্য জীবন তাদের ২ বছরের এক কন্যা সন্তানও রয়েছে। কিন্তু গত একবছর ধরে অভিযুক্ত কাজল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে আসতেছে স্ত্রীর উপর নির্যাতনের অভিযোগে একাধিকবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য শালিশ করে দেন। নির্যাতনের স্বীকার মমতাজ বেগম ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,অভিযুক্ত কাজল ইসলাম তার পরিবারের লোকজনের কু পরামর্শে স্ত্রী মমতাজ বেগমের উপর শারিরীক নির্যাতন এবং ইতিপূর্বে গর্ভের তিন মাসের সন্তানকে নষ্ট করে দেন। এবং শশুর শাশুড়ী মিলে মমতাজ বেগমকে হত্যার হুমকি প্রদান করেন।

অভিযোগকারী মমতাজ বেগম বলেন, আমার বিয়ের তিন বছর হল প্রায় দুই বছর ধরে আমার উপর নির্যাতন করে আসছে, আমি বেশ কয়েক বার বাপের বাড়ি চলে আসছিলাম এবং থানায় ও চেয়ারম্যান এর কাছে বিচার দিয়েছি অতঃপর আমার স্বামী অঙিকার নামা দিয়ে আমার সাথে সংসার করার প্রতিশ্রুতি দিলে আবার নির্যাতন শুরু করে এবং আমার স্বামী বিভিন্ন নেশা সেবম করে গভীর রাতে অপরিচিত লোকজন কে বাড়িতে নিয়ে আসে আমাকে কুপ্রস্তাব দেন আমি প্রতিবাদ করলে শশুর শাশুড়ী মিলে আমাকে মারপিট করে, স্থানীয় ভাবে বিচার না পেয়ে আমি ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করতে আসলে ঐ রাতে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন এবং শারীরিক নির্যাতন করেন। আমি অপরাধীদের শাস্তি দাবি করছি।

ads

স্থানীয় আজাদুল ইসলাম জানান, এই বাড়িতে প্রায় ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকে,তিনি বলেন কাজল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন মেয়েটাকে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে।

অভিযুক্ত কাজল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে অনিহা প্রকাশ করেন,গোপন ক্যামেরায় গণমাধ্যম কর্মীরা কাজলের স্ত্রীর প্রতি নির্যাতনের তথ্য নিতে সক্ষম হন এবং সে সাথে সংবাদকর্মীরা কৌশল অবলম্বন করে জানতে পারে শারিরীক নির্যাতন করে তিন মাসের বাচ্চা নষ্ট করে কাজল ইসলাম।

এই বিষয়ে ৫ নং বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলি ভুট্টো সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেনি।
এই বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এমন অভিযোগ দিনে একশত টার বেশি আসে ভাই কে যে অভিযোগ করছে তা জানা নেই। বাদিকে পাঠিয়ে দিন তা হলে বলতে পারবো কে।

ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *